প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবে অবস্থানরত জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত মার্কিন সরকারি কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তথ্যটি রোববার সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের এক হালনাগাদ নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে।
সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তাঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গত ২৩ অক্টোবর থেকে এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবে বেসামরিক বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং যাতায়াতব্যবস্থায় ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া, দূতাবাস আরো সতর্ক করে বলেছে, বর্তমান সংঘাত দ্রুত সংশ্লিষ্ট এলাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। ২০১৪ সাল থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও অন্যান্য এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে হুথিরা। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর গত জুলাইয়ে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আবারও সংঘাতে জড়ায় গোষ্ঠীটি। বিমান চলাচলের পাশাপাশি সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাগুলোও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রোববার সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, বিমানবন্দরটি থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এবং সৌদি বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালিত কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করছে।
তবে বিমানবন্দর ব্যবহারকারী মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরো হামলা, আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সৌদি আরবের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারি কর্মীদের এখন বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে।
বিমানবন্দর আংশিকভাবে চালুর পরও সেখানে হামলার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছে হুথিরা। গোষ্ঠীটির দাবি, বিমানবন্দরটি এখনো তাদের সামরিক লক্ষ্যবস্তু। গত ১০ অক্টোবর হুথিদের হামলায় ১৩ জন নিহত ও কয়েক শ মানুষ আহত হওয়ার পর বিমানবন্দরটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে রোববারও হুথিদের ছোড়া অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে সৌদি আরব। ফলে বিমানবন্দর চালু হলেও দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন