প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের উত্তরভাগে অবস্থিত লাদাখ অঞ্চল, যা দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে, এবার সংবিধানের ৩৭১ ধারার আওতায় সুরক্ষা প্রদানের জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতি পেয়েছে। একইসঙ্গে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটিতে একটি নির্বাচিত পরিষদ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এটি প্রচলিত কোনো রাজ্য বা বিধানসভাসম্পন্ন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আদলে প্রতিষ্ঠিত হবে না; বরং এটি ‘সুই-জেনারেস’ বা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র একটি মডেলে পরিচালিত হবে।
লাদাখের মুখ্য সচিব আশিস কুন্দ্রা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, লাদাখকে পর্যাপ্ত সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য ভারতীয় সংসদ সংবিধানের ৩৭১ ধারায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে লাদাখকে সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং একটি নির্বাচিত পরিষদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
আশিস কুন্দ্রা বলেন, "আমরা একটি অনন্য মডেল নিয়ে কাজ করছি। এটি পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি সুই-জেনারেস বা স্বতন্ত্র মডেল হবে। লাদাখে একটি নির্বাচিত পরিষদ থাকবে, কিন্তু এটি বিধানসভাসহ কোনো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বা রাজ্যের মতো হবে না।"
‘সুই-জেনারেস’ একটি লাতিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ ‘নিজস্ব ধরনের’ বা ‘অনন্য’। বিশেষ ও স্বতন্ত্র কোনো পরিস্থিতি পরিচালনার জন্য এমন আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়।
লাদাখের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের যে দলটি কাজ করছে, আশিস কুন্দ্রা সেই দলের সদস্য। মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও লাদাখের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর এবং রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার সময়, লাদাখকে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গঠন করা হয়। শুরুতে লাদাখের একাংশের মানুষ কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও পরবর্তীতে সরাসরি আমলাতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়। স্থানীয়রা পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা এবং সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতায় সাংবিধানিক সুরক্ষার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন