প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গিলাদ এরদানকে লিকুদ পার্টি থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। এই তথ্য রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু সপ্তাহান্তে লিকুদ আন্দোলনের মহাপরিচালক ডেভিড শারানকে নির্দেশ দেন এরদানকে দল থেকে বহিষ্কার করার জন্য। এর মাত্র কিছু দিন আগে, আসন্ন নেসেট নির্বাচনে তার স্বতন্ত্র দল ‘ইউনিটি’ নির্বাচনী বাধা অতিক্রম করতে পারবে না, এমন সিদ্ধান্তে দলটি বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন এরদান।
রাজনৈতিক সূত্রগুলো নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপকে এরদানের প্রতি ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হিসেবে চিহ্নিত করছে। জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব শেষ করার পর ইসরায়েলে ফিরে আসার পর থেকেই একের পর এক রাজনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন এরদান।
নেতানিয়াহু ইসরায়েলে ফেরার পর তাকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে, ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান পদে এরদানের সম্ভাব্য নিয়োগেও নেতানিয়াহু আপত্তি জানান। আসন্ন নির্বাচনে লিকুদের নেসেট প্রার্থী তালিকায় এরদানের জন্য কোনো আসন সংরক্ষণ করা হয়নি। এই কারণে তিনি ‘ইউনিটি’র নেতৃত্বে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।
কিন্তু এই উদ্যোগও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। নির্বাচনী বাধা অতিক্রমের সম্ভাবনা না থাকায়, সপ্তাহান্তে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। একসময় লিকুদের প্রাথমিক নির্বাচনে জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এরদান এবার দলেও ফিরতে পারছেন না। নেতানিয়াহুর নির্দেশে তাকে লিকুদ থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এরদানের প্রতি নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত ক্ষোভও এই সিদ্ধান্তের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
কারণ, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্ত শুরু হওয়ার সময় এরদান দেশটির জননিরাপত্তামন্ত্রী ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন