প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদনের পর অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপনের জন্য অপেক্ষা করছেন। মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) অথবা বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এর মধ্যেই এই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হলে নতুন মূল বেতন, স্কেল এবং ভাতার বিস্তারিত তথ্য পরিষ্কার হবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬’ ও ‘সশস্ত্র বাহিনীর যৌথবাহিনী নির্দেশাবলি-২০২৬’ অনুমোদন করা হয়। নতুন পে স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ এবং সচিব কমিটির সুপারিশ, মূল্যস্ফীতি, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে এই ভারসাম্যপূর্ণ বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অনুমোদিত পে স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল থাকলেও, প্রতিটি গ্রেডের মূল বেতনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। ২০তম (সর্বনিম্ন) গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০,০০০ টাকা, যা পূর্বের তুলনায় ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১ম (সর্বোচ্চ) গ্রেডের নির্ধারিত মূল বেতন ১,৫৬,০০০ টাকা, যা আগের তুলনায় ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বেতন অনুপাত পরিবর্তন
সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের বৈষম্য দূর করতে বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ অনুপাত কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে।
এদিকে, নতুন পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
এই অর্থের জোগান দিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের বড় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন