প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খাগড়াছড়িতে ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি)।
পার্বত্য চট্টগ্রামের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙার ঘটনা ঘটেছে দীঘিনালায়। শনিবার (২৯ আগস্ট) এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এন্টন চাকমা।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাবুপাড়া এলাকায় নির্মিত ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলার তথ্য ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তবে, এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা এবং কখন এটি ঘটেছে, সে সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ জানায়, ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি ভাঙা একটি স্থাপনা ধ্বংসের চেয়ে বেশি। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাসের ওপর একটি আঘাত। এ ধরনের ঘটনার গ্রহণযোগ্যতা নেই।
বিবৃতিতে তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান করেছেন।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা জুপিটার চাকমা বলেন, "পার্বত্য চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রথম শহীদ ভরদ্বাজ মণি চাকমার স্মৃতিবেদী ভেঙে দেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।"
তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক স্মারক ধ্বংস করে কোনো জাতির বা অঞ্চলের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই এবং চেতনাকে স্তব্ধ করা যায় না।
দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, গত ২৮ আগস্ট রাতে বাবুপাড়া এলাকায় ভরদ্বাজ মুনি চাকমার স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করেনি, অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন