প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের নারোয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে ১০০ বছরেরও বেশি পুরনো একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, যার উদ্দেশ্য মাদরাসা সম্প্রসারণ। এই ঘটনা ২১ আগস্ট ঘটেছিল এবং এটি দেশটিতে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা গোষ্ঠী পাকিস্তান মসীহা মিল্লাত পার্টি (পিএমএমপি) অভিযোগ করেছে যে, একদল লোক পরিকল্পিতভাবে এই
এবং ইট-গম্বুজসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরিয়ে নিয়েছে, যাতে সংলগ্ন একটি মাদরাসার জায়গা বাড়ানো যায়। সংগঠনের চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা জানিয়েছেন, মন্দিরসংলগ্ন জমি পূর্বে মাদরাসাটিকে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু নিয়ম ভাঙার কারণে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেই ইজারা বাতিল করা হয়। জমিটি অবৈধ দখল মুক্ত করার জন্য আদেশ দেওয়া সত্ত্বেও তা বাস্তবায়ন না করায় এই ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। পিএমএমপি ইতিমধ্যে পাঞ্জাব সরকারের কাছে ঘটনার তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড (ইটিপিবি) ভাঙচুরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। ইটিপিবি কর্মকর্তা ইফতিখার রানা জানিয়েছেন, ভারি বৃষ্টির কারণে জরাজীর্ণ কাঠামোটি ধসে পড়েছে এবং কেউ এটি ভাঙেনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, মন্দিরের নিজস্ব জমি কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি এবং শতবর্ষী এই স্থাপনাটির পুনরায় সংস্কারের বিষয়ে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন