প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার ঈশ্বরদীতে অসহনীয় লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ গ্রাহক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা পাবনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি-১-এর এক মিটার রিডারকে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি আলহাজ মোড় এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
অবরুদ্ধ মিটার রিডারের নাম আইনুল হোসেন। তিনি পাবনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি-১-এর দাশুড়িয়া জোনাল অফিসে মিটার রিডার হিসেবে কর্মরত আছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বেশ কিছুদিন ধরে ওই এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভুল মিটার রিডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তৈরির অভিযোগ। অনেক গ্রাহককে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় বেশি বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী গ্রাহক আকমল প্রামাণিক বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে আমরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে আছি। কখন বিদ্যুৎ আসে, কখন যায় তার কোনো ঠিক নেই। এর মধ্যে আবার ভুল রিডিংয়ের কারণে অতিরিক্ত বিল দিতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বারবার অভিযোগ জানিয়েও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য রুপভান খাতুন বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকার অবস্থায় মিটার রিডিং নিতে যান আইনুল হোসেন। এই সময় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা তাকে আটকে রেখে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়ে জানিয়েছিলেন।
প্রায় চার ঘণ্টা পর এলাকাবাসী তাকে ছেড়ে দেন।
অবরুদ্ধ মিটার রিডার আইনুল হোসেন বলেন, ‘অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। তবে এটি শুধু এই গ্রামের সমস্যা নয়, এটি জাতীয় সমস্যা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে আপাতত বিল লেখা বন্ধ রেখে চলে যাচ্ছি।’
স্থানীয়রা বলছেন, লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত তদন্ত না হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। একই সঙ্গে ভুল মিটার রিডিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিল তৈরির অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন