প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃনমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) শোচনীয় পরাজয়ে দলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিধানসভায় বিধায়কদের বিদ্রোহের প্রভাব এখনও কাটেনি, এমন অবস্থায় টিএমসি সংসদীয় দলেও ভাঙন দেখা যাচ্ছে।
সংসদীয় দলের অনেক সংসদ দলের ত্যাগের গুঞ্জন আগেই ছড়িয়ে পড়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন তৃণমূলের ১৪ জন সাংসদ। এই বৈঠকেই গুঞ্জন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সোমবার (৮ জুন) নয়াদিল্লির ৯ নম্বর মতিলাল নেহরু মার্গে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। নাটকীয় এ পরিবর্তনকামী নেতাদের মধ্যে ছিলেন অভিনেতা দেবও। বৈঠকে দেব ব্লু শার্ট এবং জিন্স প্যান্ট পরে উপস্থিত হন। তিনি একটি কোণায় বসে ছিলেন।
দেব নিজেকে আড়াল রেখে ছবি তোলার চেষ্টা করেছেন যাতে তার উপস্থিতি দৃশ্যমান না হয়।
বৈঠকের একটি ছবিতে দেবকে দেখা যায়নি। তবে এটি জানা গেছে, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছানোর পর সবারই দাঁড়িয়ে ওঠার নির্দেশ ছিল। মুখ্যমন্ত্রী দেবের গাল টিপে স্নেহ জানিয়ে গেলে বৈঠকের পরিবেশ আরও সূত্রপাত হয়।
এদিকে, এই সাংসদরা তাত্ক্ষণিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না। তারা একটি পৃথক ব্লক গঠন করবেন। স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে জানাবেন, তাদের ব্লকের মুখ্য সচেতক হলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এই চিঠির সঙ্গেও দেব সই করেছেন।
বস্তুত, এই দলবদল পর্বে দেবের নাম নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিজেপির অন্দরে আলোচনা চলছে।
বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, দেবের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সরাসরি কথাও হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মত সকালেই দিল্লিতে পৌঁছান দেব। সরকারি বাসভবনে থাকা সত্বেও সেখানে তিনি ছিলেন না; বরং একটি অভিজাত হোটেলে ছিলেন। সেখান থেকে তিনি ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে চলে যান।
একটু পেছনে হাঁটলে দেখা যায়, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে দেব জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি আর লোকসভা ভোটে প্রার্থী হতে চান না।
তৃণমূল ভোটে হেরে যাওয়ার পর বিজেপিতে মিশেছেন। তাছাড়া BJP নেতাদের সঙ্গে দেবের সৌজন্য সম্পর্ক বহুদিন ধরেই রয়েছে। মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর ছবিতে সহ অভিনেতা না হলেও, দাদার মতো। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও তার সম্পর্ক সবসময় ভাল ছিল, মাঝে মধ্যে প্রকাশ্য বাদানুবাদ ছাড়া।
তবে এদিনের ঘটনাবলী সম্পর্কে ঘাটালের সাংসদ এখনও স্পষ্ট কিছু বলেননি। এখন অপেক্ষা পালা এই অভিনেতার মাস্টারপ্ল্যান কী হতে যাচ্ছে?
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন