প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে বিতর্কিত ই১ প্রকল্পসহ ইসরাইলের অব্যাহত বসতি সম্প্রসারণের জন্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সংগঠন গাল্ফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
আজ শনিবার (২২ আগস্ট) জিসিসির মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইভি এক বিবৃতিতে বলেন, ই১ প্রকল্পের পরিকল্পনার অগ্রগতি ‘আন্তর্জাতিক বৈধতার প্রতি স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ’ এবং এটি ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারকে ক্ষুণ্ন করার কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, ‘ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর এই কর্মকাণ্ড শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। পাশাপাশি, এটি একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলছে।’
অধিকার ও জনমিতিক বাস্তবতা পরিবর্তনের লক্ষ্যে বসতি সম্প্রসারণ ও অন্যান্য পদক্ষেপ বন্ধ করার জন্য জিসিসির মহাসচিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে সমর্থন করে জিসিসি। তিনি পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে পরিষদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
এদিকে, ইসরাইল বিতর্কিত ই১ বসতি প্রকল্পের মাধ্যমে অধিকৃত পশ্চিম তীরকে দ্বিখণ্ডিত করার পরিকল্পনা করছে বলে মন্তব্য করেছে ইসরাইলি মানবাধিকার সংগঠন বিমকম। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, এই এলাকায় বসবাসরত প্রায় ৩ হাজার ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হতে পারে।
পশ্চিম জেরুজালেমে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিমকমের গবেষণা বিভাগের প্রধান মিখাল ব্রাইয়ার জানান, গত বছর ইসরাইলের ই১ বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করেছিলেন তারা।
ব্রাইয়ার বলেন, ‘আবেদনগুলো ই১ এলাকার ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল। সেখানে প্রায় ৩ হাজার মানুষ বসবাস করেন। আমাদের আশঙ্কা, তাদের সবাইকে জোরপূর্বক ওই এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা হবে এবং এলাকাটি পুরোপুরি ইহুদিদের ভূখণ্ডে পরিণত হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন