প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সময় আসামি হাতকড়াসহ পালিয়ে যান। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনায় তিনজন পুলিশ সদস্য এবং মামলার বাদীসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ মসজিদ ঘাটা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামির নাম মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, যিনি উত্তর করলডেঙ্গা শিকদার বাড়ির বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে আবদুল মান্নান নামের এক ব্যক্তি সিআর মামলা দায়ের করেছিলেন। উক্ত মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় মামলার বাদীও পুলিশের সঙ্গে ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর হাতকড়া পরানোর সময় মহিউদ্দিন পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি পুলিশের সদস্যকে কামড় ও আঁচড় দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যান। পরে পুলিশ আবারও অভিযান চালিয়ে মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে।
এই ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন এসআই আবদুল হালিম (৪৮), এএসআই মাসুম বিল্লাহ (৩৫) এবং কনস্টেবল হাসানুজ্জামান (৩২)। তারা রাত সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন।
এছাড়া মামলার বাদী আবদুল মান্নান (৫৫) এবং মোক্তার হোসেন (৪০)ও আহত হয়েছেন।
এদিকে, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মহিউদ্দিনের আত্মীয় এবং চরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ জেবল হোসাইনকে (২৩) আটক করেছে পুলিশ।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ধরতে গেলে তিনি পুলিশ সদস্যকে কামড় ও আঁচড় দেন। এ সময় ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মূল মামলার আসামি না হলেও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রাম পুলিশ জেবল হোসাইনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন