প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পরে যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে—এমন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ বিদ্যমান রয়েছে এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে নতুন অস্ত্র দ্রুত উৎপাদন ও সরবরাহও করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ধরনের গোলাবারুদের বিশাল মজুত রয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে আরও জানান, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিসরে নতুন উৎপাদন কেন্দ্র এবং কারখানা নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে তথ্য প্রকাশকারীদের প্রতি ট্রাম্প কড়া ভাষায় সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন। তিনি এসব তথ্যকে ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এ ধরনের তথ্য প্রকাশে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের দাবি জানানো হবে।
এর আগে সিবিএস নিউজ দুটি অবগত সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুত প্রায় সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার করে ফেলেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলের প্রায় সব মজুতই ব্যবহৃত হয়ে গেছে। রয়টার্সও আগেই জানিয়েছিল যে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে।
সিবিএসের পূর্বের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দীর্ঘপাল্লার অস্ত্রের মজুতের ঘাটতি প্রশাসনের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের শুরুতে যেমন নির্ভুল গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখা যাবে না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এটিএসিএমএস এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইলের মজুত সীমিত হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো প্যাট্রিয়ট এবং টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর, যেগুলো শিল্পপ্রতিষ্ঠান নতুন করে উৎপাদন করতে পারার চেয়ে বড় গতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে এসব উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়ে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল এক বিবৃতিতে জানান, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা বিদ্যমান। প্রেসিডেন্টের নির্দেশ অনুযায়ী যেকোনো সময় এবং যেকোনো স্থানে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য যথেষ্ট অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে দেশের হাতে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন