প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ। তাকে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রাজপুত্র হিসেবে অভিহিত করা হয়। মাত্র চার বছরের অভিনয় জীবনে ২৭টি সিনেমা উপহার দেওয়া এই প্রয়াত চিত্রনায়কের জন্মদিন আজ।
১৯৭১ সালের আজকের তারিখে (১৯ সেপ্টেম্বর) সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের ক্ষণজন্মা এই নক্ষত্র। যদি তিনি জীবিত থাকতেন, তাহলে আজ তিনি ৫৫তম বছরে প্রবেশ করতেন। সকলের প্রিয় এ ‘স্বপ্নের নায়ক’ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবী ত্যাগ করে চলে যান না ফেরার দেশে, তার মৃত্যুর কারণ এখনও রহস্যের আবরণে ঢাকা।
পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী এবং মাতা নীলা চৌধুরীর প্রথম সন্তান শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন থেকে রুপালি পর্দার সালমান শাহ হয়ে ওঠেন ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করার মাধ্যমে। ছবিতে তার অভিনয়ের পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।
রুপালি পর্দায় অভিষেকের পর খুব শিগগিরই তিনি কোটি তরুণ-তরুণীর স্বপ্নের নায়ক হয়ে ওঠেন। চার বছরের ক্যারিয়ারে মাত্র ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে তিনি আকাশ সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
যদিও সালমান শাহ তার অভিনয় জীবন শুরু করেন টেলিভিশন নাটক দিয়ে। ১৯৮৫ সালে বিটিভির ‘আকাশ ছোঁয়া’ নাটকের মাধ্যমে তিনি অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন নব্বই দশকের এই তুমুল জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। এরপর তিনি কাজ করেছেন—দেয়াল (১৯৮৫), সব পাখি ঘরে ফেরে (১৯৮৫), সৈকতে সারস (১৯৮৮), নয়ন (১৯৯৫) এবং সর্বশেষ স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬) নাটকে।
রুপালি পর্দায় সালমান শাহর সঙ্গে চিত্রনায়িকা শাবনূরের জুটি ছিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাদেরকে অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সালমানের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতে তার নায়িকা ছিলেন শাবনূর।
ক্ষণজন্মা এই তুমুল জনপ্রিয় নায়কের ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘জীবন সংসার’, ‘প্রেম প্রিয়াসী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘তোমাকে চাই’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘বুকের ভেতর আগুন’ ইত্যাদি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন