প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দল থেকে বহিষ্কারের দুই মাস পর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী মো. নজরুল ইসলাম নিজেকে এখনও এমপি হিসেবে দাবি করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের। অন্যদিকে, জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, তিনি বহিষ্কারের পর আর জামায়াতের সদস্য নন।
৭৫ বছর বয়সী এই সংসদ সদস্য, যিনি সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত, গণমাধ্যমের কাছে বলেন, "আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে সদস্যপদ আল্লাহর রহমতে এখনো আছে। খাতা-কলমে সব জায়গায় আমি জামায়াতের সদস্য হিসেবেই আছি।" তিনি আরও জানান, দল তার বিষয়ে কী বলেছে, তা তার জানা নেই।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইজ্জতুল্লাহ জানান, "বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।"
এছাড়া, দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, "আমরা তাকে দল থেকে বহিষ্কার করার পর স্পিকার ও ইলেকশন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি।"
গাজী মো. নজরুল ইসলামকে গত ২২ জুলাই নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী দল থেকে বহিষ্কার করে, যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে, তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেওয়া হয়।
দল থেকে বহিষ্কারের পর, জাতীয় সংসদে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে কিনা অথবা তিনি স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন কিনা, এই বিষয়টি এখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে জামায়াতের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে, স্পিকার কিংবা নির্বাচন কমিশন থেকে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন