প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরের জুন মাস থেকে এখন পর্যন্ত বেলজিয়ামে তীব্র তাপদাহের কারণে প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। দেশটির জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘সিয়েনসানো’-র প্রকাশিত সংশোধিত তথ্য অনুসারে, এই বছরের গ্রীষ্মকালকে ইতিহাসের সর্বাধিক উষ্ণতম সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ফরাসিভাষী সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিবিএফ-এর প্রতিবেদনের পাশাপাশি সিয়েনসানোর তথ্য অনুযায়ী, গ্রীষ্মের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তাপপ্রবাহের ফলে মোট ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে এই মৌসুমে তাপপ্রবাহজনিত অতিরিক্ত মৃত্যুর মোট সংখ্যা ২,৯৩৫-এ পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, ৪ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী দ্বিতীয় তাপপ্রবাহের সময়ে ৫৩৫ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে, যা স্বাভাবিক মৃত্যুহারের তুলনায় ১৪.৮ শতাংশ বেশি। অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যায় ফ্ল্যান্ডার্স শীর্ষে রয়েছে, যেখানে ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছে; ওয়ালোনিয়া ১৯৮ জন এবং ব্রাসেলস ৪২ জনের মৃত্যুর পর রয়েছে।
এছাড়া, ২৮ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত স্থায়ী তৃতীয় তাপপ্রবাহের সময় সিয়েনসানো ৩৬৫ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু রেকর্ড করেছে, এবং এই অতিরিক্ত মৃত্যুহারকে ‘সামান্য’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সিয়েনসানোর তথ্যমতে, গ্রীষ্মের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিন ছিল ২৭ জুন। ওই দিন ৬৪১ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১৪৬.৫ শতাংশ বেশি মৃত্যুহার নির্দেশ করে। প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে যে, তীব্র তাপমাত্রার প্রভাব কেবল বয়স্কদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ৬৫ বছরের কম বয়সী মানুষের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য হারে অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে।
একই সঙ্গে, প্রতিষ্ঠানটি তাপপ্রবাহের সময় উচ্চ মৃত্যুহারের পেছনে বিভিন্ন কারণকে দায়ী করেছে। এর মধ্যে রয়েছে তীব্র তাপমাত্রার স্থায়িত্বকাল, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং ওজোন দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়গুলো। এএফপি-র প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ জুলাই থেকে ১৬ আগস্টের মধ্যে বেলজিয়াম মৌসুমের তৃতীয় তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছিল এবং একই সময়ে দেশটিতে আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল শুরু হয়েছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন