প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারতের সমর্থন নেই বলে নিরাপত্তা বিষয়ক মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
তিনি শুক্রবার (৭ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেছেন, ৫ আগস্টের সংবাদ সম্মেলন বা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি মাধ্যম বা সংস্থার উদ্যোগ। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের বিষয়ে যা কিছু বলা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক বা সমর্থন নেই এবং ওই ফোরামে প্রদত্ত কোনো বক্তব্যকেও সরকার সমর্থন করছে না।
ভারত সরকারের অনুমতিতে পলাতক এবং গণহত্যার দায়ে দণ্ডিত শেখ হাসিনা বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের জন্য উপস্থিত হয়েছেন, যা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভের সঙ্গেসঙ্গে দেখা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ গভীর দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, এ ধরনের একটি ঘটনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে-এ বিষয়ে ভারত সরকারের কাছে আগেই উদ্বেগ জানানো সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটির আয়োজনের জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে।’
বাংলাদেশের জনগণ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে, ঠিক সেই সময় ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি চরম অসম্মান হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত সত্য, বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিরীহ বেসামরিক নাগরিক, এমনকি শিশুদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা অস্বীকার করা-পলাতক, দণ্ডিত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার অপরাধী সহযোগীদের ইতিহাসের গতিপথ উল্টে দেয়ার একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা। বাংলাদেশের জনগণ অতীতেও এ ধরনের ঘৃণ্য অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এখনো তারা তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের চেতনায় বাংলাদেশের জনগণ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে যে, দেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে না এবং বাংলাদেশ কখনোই কোনো তাবেদার রাষ্ট্র (ক্লায়েন্ট স্টেট) হবে না। দণ্ডিত গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার মাফিয়াচক্রের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো স্থান নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন