প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব কমবেশি ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও। এর মধ্যে জর্ডান অন্যতম দেশ হিসেবে বিদ্যমান। গত কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকবার দেশটির মার্কিন ঘাঁটিতে বোমা হামলা সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক থাকলেও চলতি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে যেতে হচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ দল ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে নতুনভাবে অভিষেক হচ্ছে ফর্টিস এফসি এবং বাংলাদেশ পুলিশ এফসির। উভয় দলকেই খেলতে হবে প্লে-অফের কঠিন লড়াইয়ে অংশ নিতে।
ফর্টিস এফসির প্রতিপক্ষ কিরগিজস্তানের মুরাস ইউনাইটেড এফসি। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ফর্টিস এফসির পরিচিত মাঠ বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায়। অন্যদিকে, বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে পাড়ি দিতে হবে সুদূর জর্ডানে। সেখানে সিরিয়ার আল-ইত্তিহাদ আহলি অব আলেপ্পোর বিপক্ষে খেলতে হবে তাদের। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আম্মানের কিং আব্দুল্লাহ স্টেডিয়ামে। উভয় প্লে-অফ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ আগস্ট।
জর্ডানে যুদ্ধাবস্থা এবং নিরাপত্তার পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ পুলিশ এফসি আগেই এএফসিকে বিকল্প ভেন্যুর প্রস্তাব দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। কিন্তু এএফসি তাতে কর্ণপাত করেনি। ফলে বাধ্য হয়েই তাদের জর্ডানে গিয়ে খেলতে হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ এফসির ম্যানেজার আহসান উদ্দিন সামি জানান, আমরা এএফসির কাছে পূর্বেই চিঠি দিয়ে আমাদের উদ্বেগের বিষয়ে জানানোর চেষ্টা করেছি। প্রয়োজনে ভেন্যু বদলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে তারা পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে। এর ফলস্বরূপ, আমাদের সেখানেই এএফসির ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে হবে।
পুলিশ এফসির কোচ আরিফুজ্জামানও মন্তব্য করে বলেন, জর্ডানে খেলা নিয়ে কিছুটা আতঙ্ক তো রয়েছে। তবে আমরা সবাই খেলার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। তাছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কিছু নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন