প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুইজারল্যান্ডের আর্গাউ ক্যান্টনের স্টাইন এলাকার রাইন নদীর তীর থেকে পুলিশ একটি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নিহতের সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি বুরুন্ডির নাগরিক। গত ২৪ অক্টোবর তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে পরিচিতজনেরা পুলিশকে অবহিত করেন। পরবর্তী দিন ২৫ অক্টোবর, রাইন নদীর তীর থেকে একটি খণ্ডিত লাশের অংশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলটি তাদের বসবাসের আশ্রয়কেন্দ্রের নিকটবর্তী।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেহের বিভিন্ন অংশ কেটে আলাদা করা হয়েছিল। পরে সেগুলো আবর্জনার ব্যাগে ভরে রাইন নদী এবং নদীতীরবর্তী এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়। ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউট পরে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করে।
আর্গাউ ক্যান্টন পুলিশ এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করে। আশ্রয়কেন্দ্রের কয়েকজন বাসিন্দার আচরণ তদন্তকারীদের সন্দেহের জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র এবং লাশ উদ্ধারের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।
তদন্তে পাওয়া আলামতের ভিত্তিতে ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে সন্দেহের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তিনি নিহত ব্যক্তির সঙ্গে একই কক্ষে বসবাস করতেন। পুলিশ ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করে।
রাইনফেলডেন-লাউফেনবুর্গ জেলা অ্যাটর্নি কার্যালয় এই ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা, সময়ক্রম এবং উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্য জড়িত থাকার প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। জাতীয়রাজনীতি
তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। তবে এসব সমস্যার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
সূত্র: ব্লু নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন