প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনিকা কাপুর আবারও ব্যক্তিগত জীবনে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। তিনি স্বামী গৌতম হাথিরামানির সঙ্গে চার বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন বার্তায় ‘বেবি ডল’খ্যাত এই গায়িকা তাদের আলাদা হয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন।
কনিকা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, ‘প্রিয় বন্ধু এবং পরিবার, অনেক চিন্তা-ভাবনার পর আমার স্বামী ও আমি আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একসঙ্গে কাটানো সময়টুকুর জন্য আমি কৃতজ্ঞ এবং তার ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই। এই কঠিন সময়ে আমরা যেন নিজেদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারি এবং একটু সহানুভূতি ও সম্মান পাই, সেই অনুরোধই করছি।’
এটি কনিকার জন্য দ্বিতীয় বিবাহবিচ্ছেদ। এর আগে ১৯৯৮ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্যবসায়ী রাজ চান্দকের সঙ্গে প্রথমবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। বিয়ের পর দীর্ঘদিন লন্ডনে সংসার করেছেন। তাদের তিন সন্তান রয়েছে—আয়না, সামারা ও যুবরাজ। তবে ২০১২ সালে সেই দাম্পত্য জীবনেরও অবসান ঘটে। এরপর ভারতে ফিরে এসে সংগীতজগতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার দিকে মনোযোগ দেন কনিকা।
গৌতম হাথিরামানির সঙ্গে কনিকার পরিচয় প্রায় ১৫ বছরের। প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর আগে তারা দীর্ঘদিনের ভালো বন্ধু ছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে কনিকা জানিয়েছিলেন, তিনিই প্রথম গৌতমকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সেটাও দুবার। প্রথমবার ২০১৪ সালে, এরপর ২০২০ সালে। অবশেষে ২০২১ সালের আগস্টে গৌতম তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২২ সালের ২০ মে লন্ডনে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়।
ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি সংগীত ক্যারিয়ারেও কনিকা বেশ আলোচিত। ২০১৪ সালে সানি লিওন অভিনীত ‘রাগিনি এমএমএস ২’ সিনেমার ‘বেবি ডল’ গানটি গেয়ে রাতারাতি পরিচিতি পান তিনি। মিত ব্রোসের সুরে গানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর কনিকা আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একই বছর শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ সিনেমার ‘লাভলি’ গানেও কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের নজর কাড়েন।
এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন কনিকা। মিত ব্রোস ও ডা. জিউসের সঙ্গে ‘রয়’ সিনেমার ‘চিটিয়া কালাইয়া’, ‘এক পহেলি লীলা’র ‘দেশি লুক’, ‘অল ইজ ওয়েল’-এর ‘নাচান ফার্রাতে’ এবং ‘উড়তা পাঞ্জাব’-এর ‘দা দা দাসে’র মতো গানগুলো তাঁর জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন