প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ র্যাংকিংয়ের পার্থক্য স্পষ্টভাবে অনুভব করেছে। শক্তি ও সামর্থ্যে অনেক এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে তারা। ফলে ফিফা র্যাংকিংয়ে ১৮১ নম্বরে থাকা বাংলাদেশ আসিয়ান কাপের সূচনা হার দিয়ে করল। মালয়েশিয়া, যাদের র্যাংকিং ১৩৬, তাদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন আরিফ আয়মান। অন্য গোলটি করেন আজ অভিষেক হওয়া বার্গসন।
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কর্ন স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হওয়ার সাথে সাথে হামজা চৌধুরী এবং তারিক কাজীরা একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ১৮ মিনিটে আর তাদের প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি। আয়মান মালয়েশিয়াকে লিড এনে দেন। ডান প্রান্তের ডি বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান এই ফরোয়ার্ড।
৩৮ মিনিটে আবারও মালয়েশিয়াকে আনন্দে ভাসান আয়মান। ডি বক্সের সামনে শাকিল আহাদ তপু বল ক্লিয়ার না করে পায়ে রাখার চেষ্টা করলে আয়মান বলটি পেয়ে যান। এরপর সহজেই বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।
বিরতির আগে বাংলাদেশ আরেকটি গোল হজম করতে পারত। তবে ৪৪ মিনিটে গোলরক্ষক শ্রাবণ দারুণ সেভ করেন। প্রথমার্ধে মালয়েশিয়ার জালে বাংলাদেশ একটিও শট নিতে পারেনি।
বিরতির পর বাংলাদেশ দ্রুত গোল হজম করে। ৫৩ মিনিটে বার্গসন দারুণ এক ফিনিশিং করেন। বক্সের মধ্যে বল পেয়ে শরীরকে দ্রুত ঘুরিয়ে শট নেন, যিনি আজ মালয়েশিয়ার জার্সিতে অভিষেক করেছেন। গোলরক্ষক শ্রাবণ শুধু বলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার সুযোগ পান।
৭৬ মিনিটে হামজা ব্যবধান কমানোর একটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। শাহরিয়ান ইমনের পাস থেকে ডি বক্সে সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার শরীর বরাবর শট নেন। ফিরতি সুযোগেও হামজাকে গোল করতে দেননি মালয়েশিয়ার গোলরক্ষক। কর্নারের বিনিময়ে গোল হজম করা থেকে বাঁচান।
৮২ মিনিটে ইমনও একটি সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু গোলরক্ষক বরাবর যে শট নিলেন, তাতে কোনো পাওয়ার ছিল না। বিপরীতে ৮৩ মিনিটে বাংলাদেশকে রক্ষা করে বার। ফারগাস তিয়ারনির বুলেট শটটি বার না লাগলে ব্যবধান ৪-০ হতো। পরে আর কোনো গোল না হলে বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
আজ বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়েছে ফারহান আলী ওয়াহিদ, শুকি ইতোফুসা ও জিদান ইউসুফের। তবে তিন প্রবাসী জয়ে অভিষেক রাঙানোর সুযোগ পাননি।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ এই নিয়ে অষ্টম হার দেখল। ১১ বারের দেখায় বাংলাদেশ একবার জয় পেয়েছে এবং অন্য দুটি ড্র হয়েছে।
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৮ সেপ্টেম্বর, যেখানে প্রতিপক্ষ হবে সিঙ্গাপুর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন