প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনকে ন্যায্য ও যৌক্তিক হিসেবে অভিহিত করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ভুলভাবে আন্দোলনকে মোকাবিলা করার ফলে দেশের পরিস্থিতি এই অবস্থায় পৌঁছেছে। সরকার আন্দোলনের প্রতি কর্ণপাত না করে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে তা থামানোর চেষ্টা করছে।
বুধবার রাতে গাজীপুরে জাতীয় শ্রমিক শক্তির গায়েবানা জানাজায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পিটুনিতে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এসে তিনি এসব মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, আন্দোলন শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। মজুরি বোর্ড গঠনের তিন দিন পর সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সরকারের অবহেলার বিষয়টি স্পষ্ট করে।
বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন, ‘এটি কোনো শ্রমিক আন্দোলনই নয়।’ অর্থাৎ সরকার এখনো পর্যন্ত এই আন্দোলনকে ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক দাবির আন্দোলন হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। বরং ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মাধ্যমে আন্দোলনকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এই আন্দোলনে সহিংসতা শুরু করেছে বিএনপি নিজেই। শ্রমিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ঘটেছে। সরকারদলীয় সহিংসতা ও নিপীড়নও অব্যাহত রয়েছে। বিএনপির সদস্যদের হকিস্টিক ও স্ট্যাম্প হাতে রাস্তায় নামানো হয়েছে। তারা শ্রমিকদের পেটানোর জন্য রাস্তায় নেমেছেন। তাদের মাঠে নামার দায়িত্ব কে দিয়েছে? দলীয় সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ ও দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পোশাকশ্রমিক তৌফিককে হত্যা করা হয়েছে। তার স্মরণে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে পুলিশ, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ন্যক্কারজনকভাবে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়কসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ১৭ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যেকোনো আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের ভূত দেখানো হতো। এখন বিএনপি যেকোনো আন্দোলনে আওয়ামী লীগের ভূত দেখছে। এভাবে আন্দোলনের ন্যায্যতাকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরকার সম্পূর্ণভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন