প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে গঙ্গা পানি চুক্তির বিষয়টি আলোচনা করা হবে দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনে। এই চুক্তি নিয়ে টেকনিক্যাল বা কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা চলমান রয়েছে দুই দেশের মধ্যে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য জানান।
ঢাকায় সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশের পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন একটি চুক্তির প্রত্যাশা করছে। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে পানির সমান বিতরণ নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, নতুন চুক্তিতে এই ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি, যাতে দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।
ব্রিফিংয়ে বিষয়টি উত্থাপন করার পর ভারতের মনোভাব সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, গঙ্গা নদী ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে প্রবাহিত সকল নদীর বিষয়ে আলোচনা করার জন্য যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। নদীসংক্রান্ত সকল বিষয় ওই কমিশনে আলোচনা করা হবে। তিনি আরও জানান, গঙ্গা চুক্তির কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকগুলো চলমান রয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ঢাকা সফরের খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য বা হালনাগাদ নেই।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যু পুনরায় তোলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং এটি ভারতের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ বিষয়ে কোনো বহিঃস্থ পক্ষের অধিকার বা এখতিয়ার নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন