প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিধবা আকলিমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে একটি জরাজীর্ণ ঘরে অনেক দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি দৈনিক ইনকিলাবে এই বিষয়ক সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর শেরপুরের জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন আকলিমার দুঃখ-কষ্ট লাঘবের উদ্দেশ্যে একটি টিনশেড ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করেছেন।
নতুন ঘর পেয়ে আকলিমা বেগম জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন ও সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এখন আর তাঁকে আকাশে মেঘ দেখলেই ভয়ে আঁতকে উঠতে হবে না। আকলিমার বাড়ি শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গ্রামে অবস্থিত। আকলিমার স্বামী আব্দুস সামাদ প্রায় ১০-১২ বছর আগে মারা গেছেন।
অসুস্থতার কারণে আকলিমার কাজ করার সামর্থ্য নেই এবং তাঁকে অন্যের দয়ায় দিন কাটাতে হয়। তাঁর দুই ছেলে বিয়ে করে আলাদা সংসার করছেন। মেয়ে আজমিনা স্বামীপরিত্যক্তা হওয়ায় অন্যের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মা-মেয়ের সংসার চলে। সংসারের খরচ, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা ও দেখভাল—এই সবকিছু সামলে জীবন চালানো তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় তাঁদের জরাজীর্ণ ঘরই ছিল একমাত্র আশ্রয়।
কিন্তু সেই আশ্রয়ও নিরাপদ ছিল না। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের চাল চুইয়ে পানি পড়ত। নতুন ঘর নির্মাণ বা পুরোনো ঘর সংস্কারের জন্য তাঁদের কোনো সামর্থ্য ছিল না।
তাদের এই দুরবস্থার খবর সম্প্রতি দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত হলে শেরপুরের মানবিক জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াসমিন বিষয়টি নজরে আনেন। এরপর তিনি আকলিমার জন্য নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বর্তমানে ঘরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ঘর পেয়ে আকলিমা বেগমের দীর্ঘদিনের দুর্দশা দূর হয়েছে এবং তাঁর মনে চরম স্বস্তি ও শান্তি ফিরে এসেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন