প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযানের মাধ্যমে ভারতীয় কম্বল, মদ, কয়লা, চিনি, সাবান এবং দেশীয় রসুনসহ ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন ৩১।
আজ সকালে বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী।
তিনি জানান, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা এবং চোরাচালান ও মাদক ব্যবসা নির্মূলে নেত্রকোণা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।
এই লক্ষ্যে, সীমান্ত এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন ও নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্দেশ্যে ২৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী স্থানে সুনির্দিষ্ট ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ব্যাটালিয়নের অধীন পাঁচগাঁও, বিজয়পুর এবং ভবানীপুর বিওপির চৌকস টহল দল স্থানীয় দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় সফলভাবে অভিযানগুলো সম্পন্ন করে। অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার ১১৮১/৫-এস, ১১৮১/৬-এস, ১১৫১ এমপি, ১১৫২ এমপি এবং ১১৫৩ এমপি’র কাছাকাছি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থান থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ ও চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে মোট ৪১ পিস ভারতীয় কম্বল, ৭২ বোতল ভারতীয় মদ, ১৭ হাজার ৯০০ কেজি ভারতীয় কয়লা, ২০০ কেজি চিনি, ৮০০ পিস সাবান এবং ৩৬০ কেজি বাংলাদেশী রসুন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিজিবির টহল দল চোরাচালানকারীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের পালিয়ে যেতে দেখে, ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব পণ্য জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মোট মূল্য ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় জননিরাপত্তা রক্ষা এবং দেশের অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি সীমান্তে অবৈধ পণ্য পারাপার ঠেকাতে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
এদিকে, জব্দকৃত চোরাই পণ্যের আইনগত প্রক্রিয়া নিয়ে বিজিবি কাজ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে উদ্ধারকৃত ভারতীয় মদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে এবং অন্যান্য চোরাই পণ্যসমূহ (কম্বল, কয়লা, চিনি, সাবান ও রসুন) নেত্রকোণা কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর এসব মালামাল বিধি মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য হস্তান্তর করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন