প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মেট্রোরেলে চলাচলের সময় অসুস্থ হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে, যা নিয়ে তার ছেলে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান সহযাত্রীদের মানবিক আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।
নাকিবুর রহমানের দাবি, তার বাবা অসুস্থ বোধ করায় বসার জন্য চেষ্টা করলেও, কেউ তাকে বসার জায়গা দেননি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তার বাবা স্ট্রোক করে মেট্রোরেলের ভেতরেই মারা যান।
এই ঘটনা ২৪ অক্টোবর দুপুরে শাহবাগ থেকে উত্তরা যাওয়ার পথে শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছে ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ড. মুহা. নজীবুর রহমান, যিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে, নাকিবুর রহমান নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে বাবার মৃত্যুর বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি এ সময় চলাচলের পথে বয়স্ক ও প্রবীণ ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণের আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় তার বাবা শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছিলেন। এ অবস্থায় আশপাশের যাত্রীদের কাছে বসার জন্য জায়গা চাইলেও, কেউ তাকে বসতে দেননি। পরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তার বাবা স্ট্রোক করে নিচে পড়ে যান এবং মুহূর্তেই মৃত্যুবরণ করেন।
বাবার মৃত্যুর ঘটনায় কষ্টের কথা জানিয়ে নাকিবুর লেখেন, তার কোনো রাগ বা অভিমান নেই। তবে তিনি সবার প্রতি অনুরোধ করেন, চলাফেরার সময় বয়স্ক ও প্রবীণ নাগরিকদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে।
তিনি লেখেন, ‘আপনি আজকে যাকে ইগনোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্য কারও বাবা।’
নাকিবুর রহমান তার পোস্টে আরও অনুরোধ করেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেট্রোরেলে যাতায়াতের নিয়মকানুন নিয়ে বিতর্ক বা কাউকে দোষারোপ করে মন্তব্য না করতে। বরং চলাচলের সময় আশপাশের মানুষের স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি।
পোস্টের শেষে বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান নাকিবুর।
জানা গেছে, ড. মুহা. নজীবুর রহমান উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদী এলাকায়। জানাজা শেষে তাকে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন