প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অলিম্পিক কমিটি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না। ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবির পক্ষে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একদল আইনপ্রণেতা অভিযোগ তুলেছিল। মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা সংস্থা ফেয়ারস্কয়ার বিশ্বকাপ শেষে অলিম্পিক কমিটির কাছে তদন্তের আবেদন জানিয়েছিল। যদিও আবেদনটি অলিম্পিক কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আলিম্পিক কমিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে লোপ-জাল অভিযোগগুলো মূলত ফিফার শাসনব্যবস্থা, সরকার সম্পর্ক, এবং ফুটবলের নিয়ম বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সম্পর্কিত। এই বিষয়ে আইওসির নৈতিকতা বিধির অধীনে কোনো তদন্ত করার অধিকার নেই। অর্থাৎ, অলিম্পিক কমিটি স্বতন্ত্র সংস্থা ফিফা বা তাদের কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে না।
এই বিবৃতি এমন একটি সময়ে প্রকাশিত হয়েছে, যখন নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ) বালোগানের স্বয়ংক্রিয় এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফিফার নৈতিকতা কমিটিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার বিষয়ে ভাবনা চালাচ্ছে। এনএফএফ সভাপতি লিসে ক্লাভেনেস বিবিসিকে বলেছেন, এই ঘটনার কারণে তাদের সংস্থা ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে। পরবর্তী বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেকোভিনার বিরুদ্ধে ২-০ গোলের জয়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান। এই কারণে পরের ম্যাচে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে তিনি নিষিদ্ধ হতে পারেন। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের কারণে সেই নিষেধাজ্ঞা ১২ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। এই ঘটনায় ফিফা সভাপতির ব্যাপারে ব্যাপক সমালোচনা হয়। ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের কারণে ফিফার নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে মানবাধিকারভিত্তিক প্রচারণা সংস্থা ফেয়ারস্কয়ার আইওসির কাছে অভিযোগ করেছিল।
সংস্থাটির দাবী, ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে ইনফান্তিনো অলিম্পিক সনদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছেন। উল্লেখ্য, ইনফান্তিনো ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য। অলিম্পিক সনদের দ্বিতীয় ধারায় উল্লেখ রয়েছে, আইওসি সদস্যরা কোনো সরকার, সংস্থা কিংবা অন্য কোনো পক্ষের এমন নির্দেশনা গ্রহণ করতে পারবেন না, যা তাদের স্বাধীন রায় প্রকাশ বা ভোটদানে প্রভাব ফেলতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন