প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্প্যানিশ ফুটবলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খেলার মাঠে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে মারাত্মক সংঘর্ষের ফলে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তেনেরিফের ৩০ বছর বয়সী স্ট্রাইকার জেসুস দে মিগুয়েল। স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগ লিগে অ্যান্ডোরা ও তেনেরিফের মধ্যকার রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ মুহূর্তে গিয়ে পরিণত হয় এক ট্র্যাজেডিতে।
ম্যাচের ফলাফল ছিল ২–২। অতিরিক্ত সময়ের ৭ মিনিটে, তেনেরিফের একটি দূরপাল্লার পাস নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে মাঝমাঠের দিকে ছুটছিলেন স্ট্রাইকার জেসুস দে মিগুয়েল। অন্যদিকে, বল বিপদমুক্ত করার জন্য পোস্ট ছেড়ে দ্রুত এগিয়ে আসেন অ্যান্ডোরার গোলকিপার জেসুস ওউনো।
বল দখলের জন্য সংঘর্ষের সময় গোলকিপার ওউনোর হাঁটু গিয়ে সরাসরি আঘাত করে মিগুয়েলের মাথা ও বুকে। মারাত্মক এই ফাউলের কারণে রেফারি গোলকিপারকে লাল কার্ড দেখান। কিন্তু মাঠে মিগুয়েল নিথর হয়ে পড়ে থাকেন।
মাঠে পাঁচ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর মিগুয়েলকে অ্যাম্বুলেন্সে করে স্থানীয় নুয়েস্ত্রা সেনোরা দে ক্যানদেলারিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে যাওয়ার পথে মিগুয়েল 'কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট'-এর শিকার হন। প্যারামেডিকসদের আপ্রাণ চেষ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় মিগুয়েল না ফেরার দেশে চলে যান।
মিগুয়েলের মৃত্যুর পর তার ক্লাব তেনেরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানায়, 'সিডি তেনেরিফ গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছে যে আমাদের ফুটবলার জেসুস দে মিগুয়েল আলমাদা আর আমাদের মাঝে নেই। এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মিগুয়েলের পরিবার ও ভক্ত-সমর্থকদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছি।'
একই সঙ্গে মিগুয়েলের পরিবার সকলের সহানুভূতি ও প্রার্থনার জন্য ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন