প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা নানা পাটেকারের আকস্মিক মৃত্যুতে ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া এখনও বিরাজমান। গত ৮ অক্টোবর, ৭৫ বছর বয়সে তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে অনুরাগীরা অপেক্ষা করছিলেন। এবার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে মৃত্যুর কারণ।
চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, হৃদ্যন্ত্রে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসকরা তার মৃত্যু স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা গেছে, নানা পাটেকার করোনারি আর্টারি ডিজিজে ভুগছিলেন। হৃদ্যন্ত্রে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন এবং এর ফলস্বরূপ তার মৃত্যু ঘটে। গোয়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের একটি দল প্রতিবেদনটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে।
গত ৮ অক্টোবর সকালে গোয়ায় তার নিজ বাড়িতে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায় অভিনেতাকে। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার জন্য তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোয়া মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়।
এদিকে গোয়া পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে নানা পাটেকার শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করছিলেন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে বুকে ব্যথা ও শরীর খারাপ লাগার কথা জানিয়ে তিনি ঘনিষ্ঠ বন্ধু আমেয় নায়েককে বার্তা পাঠান। পরে অভিনেতা বন্ধুকে ফোনও করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে আমেয় নানার পাঠানো বার্তাটি দেখেন। এরপর দেরি না করে তিনি ডোনা পাওলায় অভিনেতার বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে পৌঁছে তিনি দেখতে পান, নানা সোফায় ঘামভেজা অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়ে আছেন।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেলেও, প্রিয় অভিনেতাকে হারানোর শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন