প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তান সরকার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ জ্বালানি ত্রাণ স্কিম’ চালু করেছেন, যা নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের জনগণের জন্য অর্থনৈতিক বোঝা কমাতে সহায়ক হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরাসরি প্রান্তিক ও শ্রমজীবী মানুষের কাছে জ্বালানি ভর্তুকি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
ঘোষিত কর্মসূচির আওতায়, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা এবং চিংচি চালকরা প্রতি সপ্তাহে ৫০০ রুপি করে জ্বালানি সহায়তা পাচ্ছেন। অন্যদিকে, ৮০০ সিসি পর্যন্ত ছোট ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের জন্য প্রতি ১০ দিনে সর্বোচ্চ ১০ লিটার জ্বালানিতে প্রতি লিটারে ১০০ রুপি ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পূর্ববর্তী অবস্থায় জ্বালানি ব্যয়কে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে। দেশব্যাপী বাস্তবায়নের মাত্র আট দিনের মধ্যে ৫৮ লাখেরও বেশি নাগরিক এই সেবায় নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে প্রায় ৪৭ লাখ মানুষ ইতোমধ্যে সরাসরি সুবিধা ভোগ করছেন।
এসএমএসভিত্তিক নিবন্ধন, ডিজিটাল যাচাইকরণ এবং জ্বালানি টোকেন ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি সুবিধা পাওয়ায় সাধারণ জনগণ সরকারের এই স্বচ্ছ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
জনগণের মতামত এবং মাঠপর্যায়ের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রকল্পটিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা হয়েছে। দুই ও তিন চাকার যানবাহনের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের যোগ্যতা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ২০ বছরের পুরোনো যানকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, ৯৭৭১ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে বিনামূল্যে নিবন্ধনের সুযোগ এবং সর্বনিম্ন ৫ লিটার জ্বালানি ক্রয়ের বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়া হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যৌথ ব্যবস্থাপনায় বাস্তবায়িত এই প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সংকটের সময়েও সুশাসন ও জন কল্যাণমুখী পদক্ষেপের এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন