প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ভূমি বিরোধকে কেন্দ্র করে অভিযোগের তদন্তে যাওয়ার সময় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর ১টার সময় বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল রোডের হাবা সফিদের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটছে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ, কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ মহিনউদ্দিন, পুলিশ কনস্টেবল মো. ইছাক, মো. ইউছুফ ও শাহাদাত হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, দারুল ইহছান মাদরাসার চেয়ারম্যান মো. নূরুল আবছার একই এলাকার মানিক মিয়াসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৯-১০ জনের বিরুদ্ধে চাঁদার দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও ক্ষতিসাধনের অভিযোগ এনেছেন। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে এই অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তের জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ, এসআই আরিফ মহিউদ্দিনসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তদন্ত শেষ করে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফিরে আসার সময় অভিযোগকারী পক্ষ ফোন করে জানায় যে, বিবাদীরা নির্মাণাধীন ভবনের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করছে। পরে পুলিশ সদস্যরা পুনরায় সেখানে গিয়ে ভাঙচুরের কারণ জানতে চাইলে বিবাদীদের পুলিশের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে পুলিশ সদস্যদের জখম করা হয়েছে।
পরে হামলায় জড়িত সন্দেহভাজন ছেমনা খাতুন, বিয়াধুনি, মনোয়ারা, আয়েশা, অজি উল্লা, আবু সুফিয়ান ও বোবা জাবেরকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সরকারি হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়া হয়। পুলিশ সদস্যরাও হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের স্বজন মো. বাবুল দাবি করেন যে, পুলিশ বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে আমার শার্টের কলার ধরে। পরে বাড়ির নারীদের মারধর করা হয়। এর ফলস্বরূপ নারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে সড়কে থাকা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছেন। এতে দুজন পুলিশের হাতে হালকা আঘাত লেগেছে।
পুলিশের ভাষ্য হচ্ছে, মাদরাসার নির্মাণাধীন ভবনের জায়গাটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। বিবাদী পক্ষ জায়গাটিতে মৌরসী স্বত্ব দাবি করে নোয়াখালীর দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছে। অপরদিকে, অভিযোগকারী পক্ষ জায়গাটিকে ক্রয়সূত্রে মালিক হিসেবে দাবি করছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ জানিয়েছেন, তদন্তে যেতে গিয়ে তিনি ও পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের ব্যাপারে প্রক্রিয়া চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে নারীসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার পর দারুল ইহছান মাদরাসার চেয়ারম্যান মো. নূরুল আবছার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন