প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের অভিনেতা অজয় দেবগন পর্দায় বিভিন্ন চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করে আসছেন। তবে সম্প্রতি তাঁর আলোচনায় আসার কারণ হলো, অভিনয়ের পরিবর্তে ছোটবেলার কিছু অদ্ভুত কিন্তু প্রিয় খাবারের অভ্যাস। গ্লুকোজ বিস্কুটের সঙ্গে সাদা মাখন দিয়ে স্যান্ডউইচ তৈরি করা থেকে শুরু করে ডিমের ভুর্জিতে চিনি মেশানো—অভিনেতার এই খাবারের পছন্দ অনেকের কাছে অবাক করার মতো হতে পারে।
সম্প্রতি নয়, শেফ সঞ্জ্যোত কীরের অনুষ্ঠানে ‘ইয়োর ফুড ল্যাব’-এ এক পুরোনো কথোপকথনে অজয় তাঁর ছোটবেলার খাবারের স্মৃতি শেয়ার করেছিলেন। সেই কথোপকথন এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
গ্লুকোজ বিস্কুটে মাখনের স্যান্ডউইচ
অজয়ের প্রিয় একটি খাবার তৈরি করতে প্রয়োজন হয় মাত্র দুটি গ্লুকোজ বিস্কুট এবং সামান্য সাদা মাখন। একটি বিস্কুটের ওপর মাখন লাগিয়ে তার ওপর আরেকটি বিস্কুট রাখলেই তৈরি হয়ে যায় তাঁর পছন্দের স্যান্ডউইচ।
অভিনেতার মতে, সাধারণ এই খাবারটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। যদিও উপকরণগুলো খুব সাধারণ, তবে এর স্বাদ তাঁর কাছে বিশেষ। ছোটবেলার এমন খাবারের স্মৃতি অনেকের কাছে পরিচিত। বাড়িতে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়েই তৈরি হতো পছন্দের নাশতা, যা সময়ের সঙ্গে স্মৃতির অংশে পরিণত হয়েছে।
ডিমের ভুর্জিতে চিনি!
তবে অজয়ের দ্বিতীয় পছন্দের খাবারটি আরও বেশি অদ্ভুত। সাধারণত ডিমের ভুর্জি তৈরি করতে লবণ, মরিচ এবং বিভিন্ন মসলা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু অজয়ের দাদু ডিমের ভুর্জি তৈরি করতেন একেবারে ভিন্নভাবে।
অজয় জানান, তাঁর দাদু ডিমের ভুর্জিতে দুই চামচ চিনি মেশাতেন। এতে লবণ বা কোনো মসলা ব্যবহার করা হতো না। ডিমের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে রান্না করার পর তাতে যোগ করা হতো সামান্য দেশি ঘি।
শেফ সঞ্জ্যোত কীরের কাছে এই খাবারের কথা বলতে গিয়ে অজয় জানান, এর স্বাদ তাঁর কাছে অসাধারণ। প্রচলিত ঝাল বা নোনতা ডিমের ভুর্জির পরিবর্তে মিষ্টি স্বাদের এই পদ তাঁর ছোটবেলার বিশেষ পছন্দের একটি খাবার।
সাধারণ খাবারেই ছোটবেলার স্মৃতি
অজয়ের এই খাবারের পছন্দ শুনে অনেকের কাছে বিষয়টি অদ্ভুত মনে হতে পারে। আবার অনেকের কাছে তাঁদের ছোটবেলার খাবারের স্মৃতির সঙ্গে এর মিল খুঁজে পাওয়া সম্ভব। কারণ, খাবারের পছন্দ সব সময় দামি উপকরণ বা জটিল রান্নার ওপর নির্ভর করে না। কখনো কখনো খুব সাধারণ কোনো খাবারও শৈশবের আনন্দ এবং পারিবারিক স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে।
গ্লুকোজ বিস্কুটে মাখন কিংবা চিনিমেশানো ডিম—অজয়ের কাছে এই খাবারগুলোর গুরুত্ব শুধুমাত্র স্বাদে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ছোটবেলার স্মৃতিও।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন