প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস জানিয়েছে, সোমবার হরমুজ প্রণালীতে মাইনে আঘাতের পর একটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লেগে যায়। ইরানের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার পর এটি এই ধরনের সর্বশেষ ঘটনা, যা গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে ঘটেছে।
সংবাদটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরান হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। এর ফলে, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সাধারণ পরিস্থিতিতে, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের পূর্বে সব জাহাজকে দেশটির অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে রেভল্যুশনারি গার্ডসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘নিয়ম লঙ্ঘন করে চলাচলকারী একটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নৌমাইনে আঘাত হানে। এতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং জাহাজটির ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ধরে যায়।’
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্যাংকারটি প্রণালীর দক্ষিণ দিকের ‘অননুমোদিত নৌপথ’ দিয়ে চলাচল করছিল। এ সময় জাহাজটির অবস্থান শনাক্তকরণ ও নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ ছিল।
এর এক দিন আগে, রেভল্যুশনারি গার্ডস জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালীতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়। ওই দুটি জাহাজই মাইনে আঘাত হানার পর আগুনের কবলে পড়ে বলে দাবি করা হয়।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল আলী ওজমায়ি সতর্ক করে বলেছেন, যেসব জাহাজ তাদের নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রাখবে, সেগুলোকে ‘শত্রুভাবাপন্ন’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন