প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন যে, মস্কোর দ্বারা জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ খবরটি মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়।
বার্ষিক ভালদাই ফোরামে এক প্রশ্নের জবাবে পুতিনকে জিজ্ঞাসা করা হয়, অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে কি জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া হবে। তিনি উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, দেওয়া হবে।’
গত মাসে, পুতিন সুইজারল্যান্ডের খাদ্যপণ্য জায়ান্ট নেসলে, ফরাসি খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওশাঁ, সাবেক লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন এবং জার্মান পাইকারি ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতা মেট্রোর ব্যবসা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশনা দেন।
পুতিন উল্লেখ করেন, রাশিয়া ‘কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না, চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না।’
তিনি আরও বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানকে বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে রাখা হয়। কিন্তু কিছু ইউরোপীয় দেশ সরাসরি আমাদের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিয়েছে, কোনো নিয়মনীতির ধার না ধারে।
রাশিয়ার শীর্ষ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম, রসনেফ্ট এবং লুকঅয়েলের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রেমলিন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর অধিকাংশ পশ্চিমা কোম্পানি দ্রুত রাশিয়ায় তাদের ব্যবসা ও শেয়ার বিক্রি করে দেয় বা অন্তত নিজেদের সেগুলোর থেকে আলাদা করে নেয়। নিষেধাজ্ঞার কারণে বেশিরভাগ পণ্যের ব্যবসা বাণিজ্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
অন্যান্য কোম্পানিগুলো কর্মী বা স্থানীয় নাগরিকদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে রাশিয়াতেই অবস্থান করছে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই তারা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাপক মাত্রায় সংকুচিত করে ফেলেছে।
এরপর রাশিয়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর দেশটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কঠিন করে তোলে। এজন্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে সম্পদ সরাসরি জব্দ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন