প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের নান্দাইলে একটি বালুভর্তি ট্রাক ও যাত্রীবাহী পিকআপের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নান্দাইল-ত্রিশাল সড়কের বাহাদুর নগর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে পুলিশ ধারণা করছে, তারা গার্মেন্টসকর্মী।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন নেত্রকোনার মল্লিকপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির (৩৫), আব্দুল জলিলের ছেলে ইকবাল হোসেন রানা (৩৫) এবং তার ছোট ভাই মাজহারুল ইসলাম (২০)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পিকআপ চালক কবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিকেল ৪টার পর নেত্রকোনা বাসস্ট্যান্ড থেকে অন্তত ২২ জন গার্মেন্টসকর্মী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী পিকআপ গাজীপুরের মাওনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে নান্দাইলের বাহাদুর নগর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুভর্তি একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে সংঘর্ষ ঘটে। এতে ট্রাকের ধাক্কায় পিকআপে থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রী সড়কে পড়ে যান। ট্রাকচাপায় মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু ঘটে।
আহত ইকবাল হোসেন রানা জানান, তিনি মাওনা এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। বিকেলে ছোট ভাই মাজহারুলকে নিয়ে নেত্রকোনার বাঁশহাটি এলাকা থেকে মাওনার উদ্দেশ্যে পিকআপে উঠেছিলেন। পথিমধ্যে আচমকা এই দুর্ঘটনায় তারা পড়েন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নান্দাইল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমানে মরদেহ দুটি হাসপাতালে রাখা আছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর যাত্রীবাহী পিকআপটি আটক করা সম্ভব হলেও ঘাতক ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে গেছে। পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন