প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি বছরের সবচেয়ে বড় অভিযানে ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষ ২৪৪ জন বিদেশি কর্মীকে আটক করেছে, যারা অবৈধ অনলাইন জুয়া ও জালিয়াতি কার্যক্রমের সাথে জড়িত। আটককৃতদের অধিকাংশ চীনা নাগরিক বলে জানিয়েছে ফিলিপাইনের অভিবাসন ব্যুরো।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মানবপাচার, অর্থপাচার, অনলাইন প্রতারণা, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত চক্রগুলো অবৈধ অনলাইন গেমিং প্রতিষ্ঠানকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ফিলিপাইন সরকার ২০২৪ সালে দেশটিতে পরিচালিত অনলাইন গেমিং অপারেটর বা পিওজিও নিষিদ্ধ করেছে।
শুক্রবার, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনদানাও অঞ্চলের দুটি স্থাপনায় সামরিক বাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা অভিযান পরিচালনা করে।
অভিবাসন ব্যুরো শনিবার রাতে একটি বিবৃতিতে জানায়, প্রথম স্থানে অভিযান চালিয়ে ১১০ জন চীনা নাগরিক, দুইজন কম্বোডীয় এবং হংকংয়ের এক নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
দ্বিতীয় স্থানে আরও ১৩১ জনকে আটক করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই চীনা নাগরিক। এছাড়াও মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমারের নাগরিকও আটক হয়েছে।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ কম্পিউটার সরঞ্জাম, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও সিম কার্ড জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অভিবাসন ব্যুরো।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে মানবপাচারের সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের অভিযোগে তদন্ত চলছে। বাকিদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
ফিলিপাইনের অভিবাসন ব্যুরোর প্রধান জোয়েল ভিয়াদো একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা ফিলিপাইনে অবস্থানের শর্ত লঙ্ঘনকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন প্রয়োগ অব্যাহত রাখব। একই সঙ্গে নিশ্চিত করব, ফিলিপাইন যেন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত না হয়।’
অভিবাসন ব্যুরো অভিযানটিকে ২০২৬ সালে পিওজিওবিরোধী সবচেয়ে বড় অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এ বিষয়ে জানতে ম্যানিলায় চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এএফপি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন