প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তে চীনা সেনাদের সঙ্গে একাধিক স্থানে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে, যা ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) মহাপরিচালক শত্রুজিৎ সিং কাপুরের বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি জানান, গত জুলাই মাস থেকে এই পরিস্থিতি চলমান রয়েছে। সীমান্তে চলমান উত্তেজনা সম্পর্কে এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক স্বীকারোক্তি।
ছয় বছর আগে ২০২০ সালে লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ওই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ফলে দিল্লি ও বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে গত কয়েক বছরে দুই দেশ সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার রাজস্থানের আলওয়ারে আইটিবিপির সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে শত্রুজিৎ কাপুর উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে অরুণাচলের বিভিন্ন স্থানে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে।
গত জুলাই মাসে অরুণাচলের তাকসিং এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ টহল পয়েন্টে উত্তেজনা দেখা দেয়। আইটিবিপি প্রধান জানান, চীন সীমান্তের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বাহিনীর সব সীমান্ত ইউনিটে ড্রোন প্লাটুন গঠন করা হয়েছে। গালওয়ানের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিশেষ যুদ্ধ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো তৈরির কাজও চলছে।
এদিকে, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীরবতার সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। দলের সংসদ সদস্য জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, অরুণাচলে টহল পয়েন্টে প্রবেশাধিকার হারানোর আশঙ্কা, চীনের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তন এবং বড় বাঁধ নির্মাণের মতো বিষয়গুলোতে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।
ডোকলাম ও পূর্ব লাদাখের পর অরুণাচল সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরেকটি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
আরএ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন