প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার মদনে ১২ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার অভিযোগে দায়ের করা আলোচিত মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এ মামলায় আগামী ১১ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুছ সালামের আদালতে যুক্তিতর্ক শেষে এ দিন ধার্য করা হয়।
মামলার প্রধান আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর বিচারকের প্রশ্নের জবাবে নিজের ১২ শতাংশ জমি থাকার কথা জানান। একই সঙ্গে নিজের সব সম্পদের বিনিময়ে মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার আকুতি জানান তিনি।
শুনানির একপর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী আনিসুর রহমান আপসের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বিচারক তা নাকচ করে দেন। বিচারক জানান, তাঁরা কখনো আপসের বিষয়ে কথা বলেননি। এ সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে সিসি ক্যামেরা ছিল কি না, তা-ও জানতে চান আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. নূরুল কবীর রুবেল আদালতে জানান, ভুক্তভোগী শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছিল।
মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী শিশুর জন্ম দেওয়া নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক সাগরের ডিএনএর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এসব প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। তারা আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুল কবীর রুবেল বলেন, “রায়ের আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি আজ সম্পন্ন হয়েছে। ১১ নভেম্বর মামলার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছি। আমরা মনে করি, মামলাটি প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। এ মামলায় আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আগামী ১১ নভেম্বর মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন