প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ৯ দিন পর ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি টানেল থেকে দুই ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার ফলে টানেলের ভেতরে আরো অনেকে জীবিত থাকতে পারেন, এমন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন প্রকল্পের যান্ত্রিক বিভাগের ফোরম্যান সঞ্জয় সাহ এবং যান্ত্রিক বিভাগের সুপারভাইজার কবির মহার্জন। শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির (আরএসপি) আইনপ্রণেতা ও প্রকৌশলী শ্রী রাম নেউপানে। তিনি ২৬ আগস্ট থেকে বন্যার পর উদ্ধার অভিযানে যুক্ত রয়েছেন।
নেউপানে জানান, প্রথমে সঞ্জয় সাহকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে কবির মহার্জনকে উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, টানেলের ভেতরে আরো কয়েকজন থাকতে পারেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর উদ্ধারকারীরা অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছেন।
এর আগে টানেলের ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর শোনার পর উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটে। উদ্ধারকারীরা ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন।
কণ্ঠস্বর শোনার পর নেপালি সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী টানেলের ভেতরে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা আরো জোরদার করে।
নেউপানে বলেন, ‘উদ্ধারকারী দল ভেতরে থাকা লোকজনকে ডাক দিয়ে বলেছিল, ‘আতঙ্কিত হবেন না, আমরা আপনাদের উদ্ধার করতে এসেছি।’ এরপরে টানেলের ভেতর থেকে জবাব আসে, ঠিক আছে।’
পরে তিনি জানান, টানেলের ভেতরে একাধিক ব্যক্তি আটকা পড়ে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উদ্ধারকারীরা।
গত ২৬ আগস্ট আকস্মিক বন্যায় ত্রিশূলী নদীর উপত্যকা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়। এতে ১ হাজার ২৫২ জন নিহত হন। বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বন্যার পর থেকে দুর্গম ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই উদ্ধারকারী দলগুলো টানেলসহ বিভিন্ন স্থাপনায় আটকা পড়া ব্যক্তিদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন