প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন তিনজন প্রতিমন্ত্রী। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম এবং ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পরিদর্শনে অংশ নেন।
শুক্রবার বিকালে কক্সবাজারের বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট তারা পরিদর্শন করেন।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী থেকে শুরু করে সুগন্ধা পয়েন্ট ধরে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত ব্যাপক এলাকা জুড়ে পর্যটকদের সাথে আলাপ করেন তিন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তারা পর্যটকদের সুবিধা এবং অসুবিধার ব্যাপারে জানতে চান।
নারী, শিশু এবং বয়স্ক পর্যটকসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সকল স্তরের পর্যটকদের নিরাপত্তা, বিচের পরিচ্ছন্নতা, টুরিস্ট পুলিশের কার্যকারিতা, এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তৎপরতা সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে তারা আলোচনা করেন। এ সময় পর্যটকরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বিচ ম্যানেজমেন্ট ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা অনুরোধ করেন যে সমুদ্র সৈকতের বর্তমান ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রেখে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হোক।
জবাবে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভবিষ্যতে কক্সবাজারকে একটি পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া বাংলাদেশের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অত্যাধুনিক হোটেল-মোটেল নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হবে। পরিদর্শনের সময় পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পরিচালক, টুরিস্ট পুলিশের এসপি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন