প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত আইইইই (IEEE) দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মানবকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শরীফ নাফে আস-সাবের।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং পৃথিবীকে আরো বাসযোগ্য ও টেকসই করে তোলা। তিনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষাভিত্তিক এআই প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব ডেটা অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
গত ১ থেকে ৩ নভেম্বর কক্সবাজারের বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ হোটেলে হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয় ১২তম আইইইই ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল টেকনোলজিস ফর ইঞ্জিনিয়ারিং (i-COSTE 2026) এবং ১১তম আইইইই এশিয়া-প্যাসিফিক কনফারেন্স অন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং (CSDE 2026)। তিন দিনব্যাপী এ যৌথ সম্মেলনে বিশ্বের ৩৫টি দেশের গবেষক, প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) আয়োজিত এ সম্মেলনে কারিগরি সহযোগিতায় ছিল আইইইই বাংলাদেশ সেকশন ও এনপিএস অস্ট্রেলিয়া। ‘সাসটেইনেবল টেকনোলজি ফর হিউম্যানিটি অ্যান্ড গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, সবুজ প্রকৌশল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, ব্লকচেইন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও বিগ ডেটাসহ প্রযুক্তির বিভিন্ন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সম্মেলনের উদ্বোধনী ও সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শরীফ নাফে আস-সাবের। উভয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিইউবিটির উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম শওকত আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক শরীফ নাফে আস-সাবের প্রশ্ন তোলেন, ‘আমাদের এআই কেন প্রয়োজন?’ তিনি বলেন, শুধু প্রযুক্তির অগ্রগতির জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, বরং এর মাধ্যমে মানুষের বাস্তব সমস্যার সমাধান এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি মানবকেন্দ্রিক এআই কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন যাতে এআই মানুষের সক্ষমতা বাড়ায়, মানবিক মর্যাদা রক্ষা করে এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষাভিত্তিক এআই প্রযুক্তি উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা পৌঁছে দিতে বাংলা ভাষায় কার্যকর লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) ও ডিজিটাল টুল তৈরি করতে হবে। এতে প্রযুক্তিগত বৈষম্য কমবে এবং সাধারণ মানুষও এআই ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন