প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সম্প্রতি ফ্লাইদুবাইয়ের (flydubai) একটি বিমানে ব্যর্থ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা সামনে আসার পর, যুক্তরাষ্ট্রের 'ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রাম' (Visa Waiver Program) বা ভিসা মুক্ত প্রবেশের সুবিধা হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ইসরায়েলিদের জন্য।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মার্কিন প্রতিনিধি দল শিগগিরই তেল আবিবে পৌঁছাবে, যাতে তারা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামের শর্তাবলী অনুসরণ করছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে পারে। বর্তমানে প্রতিনিধি দলটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে এভিয়েশন নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করছে। ২০২৩ সালে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, ফলে দেশটির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই অনলাইনে আবেদনের (ESTA) মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছিলেন।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর, দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের ১০৭৩ নম্বর ফ্লাইটে সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি মূল পাইলটের ওপর হামলা চালান। বিমানটি ১৮০ জন যাত্রীসহ ক্র্যাশ করানোর এই চেষ্টাটি পাইলট এবং কয়েকজন ইসরায়েলি যাত্রীর সাহসিকতার কারণে ব্যর্থ হয়। তদন্তে জানা যায়, হামলাকারী সহ-পাইলটের সোশ্যাল মিডিয়ায় আল-কায়েদা সমর্থনের ইতিহাস ছিল এবং চরমপন্থী ভাবধারার কারণে ওমানে তার উড্ডয়ন নিষিদ্ধ ছিল। তবে, ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রণালয় ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো শত্রুভাবাপন্ন দেশের বিমান কর্মীদের যথাযথ তদারকি করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিরাপত্তা তদারকি বাড়ানোর জন্য ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত (Shin Bet) ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (NSC) বেশ কিছু প্রস্তাব এবং অতিরিক্ত বাজেট সহায়তার প্রস্তাব পূর্বে পরিবহন মন্ত্রণালয় ফিরিয়ে দিয়েছিল। এই গুরুতর নিরাপত্তাহীনতার প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রতিনিধি দল এখন ইসরায়েলের ভিসা মুক্ত সুবিধা পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে। সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন