প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় গেট এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাথে সম্পর্কিত থাকার সন্দেহে এক যুবককে আটক করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাকে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে রাখা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সময় দ্বিতীয় গেট এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এক যুবককে মুঠোফোনে অন্য একজনের সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। শিক্ষার্থীদের দাবি, তিনি ককটেল ও ব্যানার-পোস্টার নিয়ে আসার পরিকল্পনা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার লাগানোর বিষয়ে আলোচনা করছিলেন।
এই বিষয়টি শুনে কিছু শিক্ষার্থী যুবকটিকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তার মুঠোফোন পরীক্ষা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যুবকের একাধিক ছবি ও ভিডিও পাওয়া যায় বলে দাবি করেন আটককারীরা। তবে তার কাছে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলে তারা জানান।
এরপর ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী যুবকটিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। সেখানে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কক্ষে রাখা হয়।
ঘটনার পর যুবকটিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য শের আলী আরটিভিকে বলেন, ‘আমরা ক্যাম্পাসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। তখন দেখলাম, একজন ছেলে ফোনে কাউকে বলছে—আশপাশে কেউ নেই, ককটেল ও পোস্টার নিয়ে আসতে। এটা শুনে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে সে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে আটক করে তার ফোনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ভিডিও পাওয়া যায়। আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। তারা আসছে, তাদের হাতে তাকে হস্তান্তর করা হবে।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনটির কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বিভিন্ন সময় আলোচনায় এসেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন