প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে এসব এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের জন্য সম্ভাব্য জায়গা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনাবাহিনী, বন বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ক্যাম্প স্থাপনের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম, বন বিভাগের কর্মকর্তারা, টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসাইন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা আলাউদ্দিন, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী, বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রস্তাবিত ক্যাম্প স্থাপনের জায়গার ভৌগোলিক অবস্থান, যাতায়াত ব্যবস্থা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে অবহিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, টেকনাফের সীমান্তবর্তী ও দুর্গম এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা জোরদার এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সীমান্তবর্তী টেকনাফে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন