প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদ থেকে সরে যাচ্ছেন বলে গুজব ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মন্তব্য আসেনি। গতকাল বিকেলে আকস্মিকভাবে এ গুঞ্জন শুরু হয়। সরকার ও রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার পর সুনির্দিষ্টভাবে কেউ বিষয়টির সত্যতা জানাতে পারেননি।
বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত আছেন। তার স্বাস্থ্যের প্রায় অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চ ডায়াবেটিস তাকে বেশ ভোগাচ্ছে।
তিনি আরো জানান, রাষ্ট্রপতি বুধবারও বঙ্গভবনে অফিস করেছেন এবং বৃহস্পতিবার কয়েকটি কল তার অন রয়েছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা বলেছেন, অফিসিয়ালি এখনও এ ধরনের কোন বার্তা তারা পাইনি। তবে কয়েক দিন ধরে বঙ্গভবনের পরিবেশ বিদায়ের। মনে হচ্ছে- এক ধরনের নীরব প্রস্তুতি চলছে।
চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বিজয় নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন প্রশ্নে নানা আলোচনা রাজনীতিতে চলছে। এমনকি বিএনপির কারা রাষ্ট্রপতি হতে পারেন, সেই বিষয়েও অনেক নাম সংবাদমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমেও রয়েছে সেই নাম নিয়ে আলোচনা।
দলটির নেতা-কর্মীদের অনেকের ধারণা রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। যদিও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদের এখনো অনেকটা সময় বাকি। ফলে সংবিধান অনুযায়ী এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয় নেই।
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্বে আসেন মো. সাহাবুদ্দিন। ফলে তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যেহেতু মেয়াদ রয়েছে, সুতরাং মো. সাহাবুদ্দিন যদি পদত্যাগ না করেন অথবা তাকে অভিশংসন বা অপসারণ না করা হয়, তাহলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনগত সুযোগ নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন