প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়, যিনি টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ভিডিও ভাইরাল হয়েছেন, এবং দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তিনি বর্তমান কর্মস্থান থেকে প্রত্যাহার করা হয়ে গেছেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ প্রশাসন শাখা একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে বলা হয়েছে যে, তাকে দেবীগঞ্জ উপজেলা থেকে প্রত্যাহার করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ২৪ জুনের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ে তিনি যোগদান না করেন, তবে ওইদিনের অপরাহ্ণ থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে। কিন্তু প্রত্যাহারের সঠিক কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।
এতোদিন আগে, সোমবার, বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে বাবুল চন্দ্র রায় সম্পর্কে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে ১৫ শতাংশ কমিশন বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ সংবলিত খবর প্রকাশিত হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে পাওয়া প্রায় ৪ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে বাবুল চন্দ্র রায়কে বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে কমিশনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাকে ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে হিসাব করতে দেখা যায়, যেখানে তিনি একাধিক প্রকল্পের বিপরীতে কমিশনের অঙ্ক নির্ধারণ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথোপকথন করছেন।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনসাধারণ, রাজনৈতিক মহল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠতে শুরু করে।
এদিকে, পিআইও বাবুল চন্দ্র রায়ের প্রত্যাহারের আদেশকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে এলাকায়। তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন