প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালের ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার কারণে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৪ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার কার্যক্রম এবং নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২৬ আগস্ট তারিখে নেপালে একটি ভয়াবহ বন্যা সংঘটিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ে হিমবাহ ধসের ফলে উপত্যকাজুড়ে একাধিক হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে। পরে ওই হ্রদের পানি তিব্বত সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রামের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়। এই ঘটনায় বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয় এবং অনেক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ভয়াবহ বন্যার ফলে নেপালের জনজীবন সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একইসাথে, পানিদূষণ এবং সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদুরে পানীয় জলের ১৫টি উৎসের মধ্যে পাঁচটিতে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত মানুষের বা প্রাণীর মলে পাওয়া যায়। ভোটেকোশি নদীর বন্যায় নেপালের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে বিদুর অন্যতম।
নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যাপকভাবে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছে। বন্যা-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ বিতরণ, মরদেহ ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের জন্য ৭ হাজার ৯১২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি,
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন