প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ : শনিবার শ্রীলঙ্কার জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয়ের ফলে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কর্মকর্তাদের মতে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের চাহিদা অতিরিক্ত হওয়ায় এই বিপর্যয় ঘটতে পারে।
দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল দেশের গ্রিড থেকে। বিদ্যুৎ সরবরাহ আবার কবে স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি।
কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন লঙ্কা (ইডিএল) জানায়, পুরো গ্রিডে ত্রুটি সারাতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন।
তাদের ধারণা, অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে।
জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুনাথিলাকা বলেন, কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালুর আশা করছে।
তিনি সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজে সহায়তা করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মালিকদের তাদের সিস্টেম বিচ্ছিন্ন রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুরো বিদ্যুৎ গ্রিড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেদিন রৌদ্রোজ্জ্বল রোববারে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল।
বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তিন হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। দিনের বেলায় দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট।
কর ছাড়ের সুবিধার কারণে গ্রাহকেরা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত হচ্ছেন। তারা নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করছেন। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে, যা সামাল দিতে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা হিমশিম খাচ্ছে।
সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় চার হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এতে ২০২৪ সালের তুলনায় এ সক্ষমতা ৩৮৮ শতাংশ বাড়বে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন