প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে গ্রেপ্তার হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের মেহেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া এম এ খালেক মোজাহার আলী বিশ্বাসের পুত্র। তিনি মেহেরপুরের গাংনী বাজারের থানা রোড এলাকার বাসিন্দা। এম এ খালেক মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত।
তথ্য অনুযায়ী, ভারতে যাওয়ার জন্য দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে পৌঁছালে তার কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গাংনী থেকে আসা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল তাকে মেহেরপুরের গাংনীর উদ্দেশে নিয়ে যায়।
ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সূত্র জানায়, এম এ খালেক চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল ভিসায় ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সকালে দর্শনা ইমিগ্রেশনে তার কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় সন্দেহ হলে মেহেরপুরের গাংনীতে তার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। পরে মামলার তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল গাংনী থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এম এ খালেকের ছেলে আসিফ রেজার দাবি, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং হৃদ্যন্ত্রে ব্লক রয়েছে। বাইপাস সার্জারির জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হচ্ছিল। বাবার নামে থাকা মামলাগুলোর সবকটিতেই তিনি জামিনে রয়েছেন।
দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সাব-ইন্সপেক্টর তারিক জানান, এম এ খালেকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা থাকায় সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পরে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন