প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। কিন্তু এক মাস না যেতেই ঘটনাগুলি ঘটে গেছে, যেখানে ছোট ছোট হামলা এবং পাল্টা হামলার ঘটনা দেখা গিয়েছে। সর্বশেষ গতকাল রাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রায় ৮০টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এই হামলার জবাবে ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়। বিশেষজ্ঞরা এটিকে উত্তেজনার একটি বড় বৃদ্ধি হিসেবে দেখছেন।
ইরানের তেহরান থেকে খবর অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী রাতে ইরানের অন্তত তিনটি শহরে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে কেশম দ্বীপে ৭টি এবং হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন সিরিক শহরে ৬টি জায়গায় আঘাত হানা হয়েছে। এছাড়া, বন্দরে অবস্থিত আব্বাসে টেলিযোগাযোগ টাওয়ারসহ ১০টি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর ইরানি সামরিক স্থাপনায় এটিই সবচেয়ে বড় মার্কিন হামলা।
ইরানের প্রধান আলোচক এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই হামলাকে চুক্তির ‘বড় লঙ্ঘন’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, আমেরিকা হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করছে, এবং তেলের ওপর ফের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, পাশাপাশি ইসরায়েল লেবাননের চুক্তি ভাঙছে। তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, জোর খাটানোর যুগ শেষ হয়ে গেছে। এসব চাপে কোনো লাভ হবে না।
অন্যদিকে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা বাহরাইনের সালমান বন্দরে মার্কিন পঞ্চম নৌবহর এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে হামলা করেছে। এছাড়াও, দক্ষিণ ইরানে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ (MQ-9) ড্রোনও তারা ভূপাতিত করেছে।
এদিকে, ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট্টে মার্কিন হামলাকে সমর্থন করেছেন। তিনি তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের আগে বলেন, ইরান চুক্তি ভাঙার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর হামলা ‘অত্যন্ত জরুরি’ ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন