প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের জ্বালানি সংকটের সমাধানের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারিসহ প্রয়োজনীয় সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জামকে শর্তসাপেক্ষে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, অগ্রিম কর এবং অতিরিক্ত ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যে স্থাপিত ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনবে। এর অর্থ হলো, সরকার বাল্ক রেটের পাশাপাশি একটি প্রণোদনাও দেবে।’
প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড় খরচ ৬-৭ টাকা হিসাবে এই ব্যবস্থায় ৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়ামসহ সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত লাভের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এই প্রণোদনা তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।’
সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচিও চালু করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি নির্দেশিকা তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য বিশেষ বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। জলবিদ্যুৎ, বায়ু ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আধা ঘণ্টা সময় নির্ধারিত ছিল। প্রশ্নোকাল পর্বে প্রধানমন্ত্রীর জন্য লিখিত ৮টি প্রশ্ন ছিল। আধা ঘণ্টা সময়ে ৪টি লিখিত প্রশ্ন এবং ৬টি সম্পূরক প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন