প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, প্রস্তাবিত বাজেটটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত হয়েছে। জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে এই বাজেট পেশ করা হয়েছে, যা সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় মূলনীতিকে মাথায় রেখেছে।
তিনি রবিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করে বলেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান অর্থমন্ত্রী যে বাজেটটি প্রস্তাব করেছেন, তা দেশের সর্বস্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দিকটি গুরুত্বপূর্ণ করে তৈরি করা হয়েছে। এই বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এর বাস্তবায়ন এবং আমরা সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বর্তমান সরকারের অংশ হিসেবে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিল এবং এই প্রস্তুতি অব্যাহত রাখবে।
তিনি বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গত ১৭ থেকে ২০ বছর ধরে দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যে সিস্টেম্যাটিক ডিস্ট্রাকশন (পদ্ধতিগত ধ্বংসযজ্ঞ) চলছিল, তা রাতারাতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। তবে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করতে হবে। পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে।
ফারজানা শারমীন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে জানান, মন্ত্রণালয়কে ভাইব্রেন্ট করার জন্য আমরা দিনরাত কাজ করছি। আমাদের দলের অন্যতম সিগনেচার প্রজেক্ট ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর পাইলটিং আমরা সফলভাবে সম্পন্ন করেছি। কৃষক কার্ড ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানসহ সব ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা এই বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন বেনিফিশিয়ারি পর্যায়ে এসব সুবিধা সঠিকভাবে পৌঁছায়।
জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা স্মরণ করে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা এক নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। এই বাজেট আত্মসম্মান, আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মমর্যাদার কথা বলে। আসুন, আমরা কাদা ছোড়াছুড়ি না করে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হই। রাস্তাঘাট পরিষ্কারের সঙ্গে আমাদের মনকেও পরিষ্কার করতে হবে।
নিজের নির্বাচনী এলাকা নাটোরের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের চরাঞ্চলগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। চরগুলোকে যদি আমরা রিনিউয়েবল এনার্জি বা সোলার প্যানেল স্থাপনে ব্যবহার করতে পারি, তবে সেখানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন